কোটচাঁদপুরে পিঠা মেলা উৎসব


রোকনুজ্জামান কোটচাঁদপুরঃ
কোটচাঁদপুর খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজে দ্বিতীয় বারের মত হয়ে গেল পিঠা উৎসব।সোমবার সকাল থেকে এ মেলা চলে রাত পর্যন্ত।
জানা যায়, গেল বছরের তারুণ্যের পিঠা উৎসবের ধারা বাহিকতায় এ বছরও কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পিঠা উৎসব। এ বছর পিঠা উৎসবের শ্লোগান ছিল নতুন ধানে, নতুন প্রাণে চল মাতি পিঠার গানে।
 পিঠা উৎসব ঘিরে বেশ কয়েক ব্যাপক তোড়জোড় দেখা যায়  কলেজ কতৃপক্ষের মধ্যে। সোমবার সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় পিঠা উৎসব। এ বছর  পিঠা উৎসবে ১৬ টি স্টোল স্থান পায়। স্টোল গুলোর ছিল নামারের বাহার। তেমনি ছিল স্টোলগুলোয় পিঠার আয়োজন। যার মধ্যে ছিল, পাটি সাপটা, মালপোয়া, ঝিকিমিকি, ফুলপিঠা, মুগ পাকান, দই চিতই, চুসি পিঠা,তিলের পিঠা, ভাপা পিঠা, ডিম সাপটা, নারকেল পিঠা, সবজি পিঠা, জামাই তোষণ পিঠা, মুখ সুন্দরী, জামাই পিঠা, রস পাকান,ঝিনুক পিঠা, দুধ চিতই, বিবিখানা, দুধ পাকান, ঝালপাপড়ি সহ আরো কত নাম না জানা পিঠা। 
এদিকে পিঠা উৎসব দেখতে সোমবার সকাল থেকে কলেজ মাঠে আসতে থাকে কোটচাঁদপুর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থীরা। যা ছিল চোখে পড়ার মত।
পিঠা উৎসবে আসা সাবদারপুরের সোহেল রানা বলেন, পিঠা উৎসব আমাদের প্রাণের মেলা। এ মেলায় আসলে আমরা ফিরে পায় আমাদের ঐতিহ্য। মেলার আসতে পেরে খুব ভাল লাগছে। আর আয়োজনেও বেশ খুশি বলে জানিয়েছেন তিনি।
জসিম উদদীন বলেন,মেলায় পিঠার আয়োজন থেকে, অন্য সব খাবার জিনিসের আয়োজন টা বেশি মনে হচ্ছে। এতে করে পিঠা উৎসবের মান কিছু খর্ব হচ্ছে বলে আমি মনে করছি। এ জন্য তিনি আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। যাতে করে আগামীতে পিঠা উৎসবে যেন পিঠার আধিক্য বেশি হয়।
মেলার আয়োজক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের  সহকারি অধ্যপক রিপন হোসেন বলেন,কলেজে দ্বিতীয় বারের মত পিঠা উৎসব আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজক কমিটির নেতৃত্ব দেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মমতাজ শিরিন ম্যাডাম। সাথে ছিলেন প্রভাষক কাজী কোরাম হোসাইন। এ ছাড়া মেলায় সহযোগিতা করেন কলেজের রোভার ও রেডক্রিসেন্টের সদস্যরা। তিনি বলেন,মেলায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। এতে ব্যাপক সাড়া ছিল  মেলা ঘিরে। আমরা মেলাটি সফল করতে কলেজ তথা এলাকাবাসীর ও সহযোগিতা পেয়েছি। 
কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর তুর্পনেন্দু মন্ডল বলেন, তারুণ্যের পিঠা উৎসবের অংশ হিসেবে আজকের এ পিঠা উৎসবের আয়োজন। এ বছর মেলা করতে না চাইলেও, কলেজের শিক্ষার্থীদের কারনে অবশেষে করা।




No comments

Powered by Blogger.