কোটচাঁদপুরে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, বসতভিটা গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

 

 মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, কোটচাঁদপুর  ঝিনাইদহ থেকে :

 ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের জালালপুর গ্রামে মাসুম বিল্লাহ এর বসতবাড়ি আক্রমন করে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে সীমানা প্রাচীর, রান্নাঘর, গরুর গোয়াল ও টিউওয়েল। ২৪  এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যার পর যুবলীগ নেতা ও গ্রামের মেম্বর সাইফুলের নেত্রত্বে ওই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। ওই ঘটনায় অংশ নেন একই গ্রামের গফুর, লিন্টু, জামির, লিটনসহ আরো ১০ থেকে ২০ জন, তারা হাতে শাবল, হাতল, দা ও লোহার রড নিয়ে ওই আক্রমনে অংশ নেন বলে জানান মাসুম বিল্লাহ।  ওই ঘটনায় কোটচাঁদপুর থানায় লিখিত  অভিযোগ করা হয়েছে। সরে জমিনে দেখা যায় বহু বছরের পুরাতন পাকা রাস্তার মাঝখানে  স্থাপন করা হয়েছে পাকা পায়খানা, বন্ধ করা হয়েছে ওই রাস্তা। রাস্তার উপর পায়খানা কেন এমন প্রশ্নে জমির মালিক রুবেল মন্ডলের স্ত্রী কল্পনা জানান এই জমি এখন আমাদের যে কারণে রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে। রুবেলের পিতা আবদার মন্ডল জানান বর্তমান ম্যাপে রাস্তা আমাদের মধ্যে সে কারণে রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে পাশের জমির মালিককে বার বার বলা হয়েছে তাদের প্রাচীর ভেংগে রাস্তার জায়গা ছেড়ে দিতে, তারা ছেড়ে না দেয়ার কারণে গ্রামের মেম্বর এর উপস্থিতিতে পাড়ার লোকজন ওই প্রাচীর ভেংগে দিয়েছে। কাজটি সঠিক হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি জানান কিছু তো করার ছিলোনা। কুশনা ইউনিয়নের  জালালপুরের ২নং ওয়াডের মেম্বর  সাইফুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান রাস্তার স্বার্থে পাড়ার লোক জন নিয়ে আমার উপস্থিতিতে ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ভুক্তভোগী মাসুম বিল্লাহর মা নিলুফা জানান শুক্রবার সন্ধ্যার পর আমাদের বাড়িতে কেউ ছিলেন না। হঠ্যাৎ করেই ১০ থেকে ২০ জনের একটি দল লোক এসে আমাদের বাড়িতে আক্রম করে কি অবস্থা করেছে আপনারাই দেখেন। স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় জালালপুর ধোপাপাড়ার ওই রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবত ওই পাড়ার লোকজন ব্যবহার করতেন ২০১৬ সালে রাস্তাটি ইটের সোলিং করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে পাকা রাস্তাটি বন্ধ করে তার উপর পায়খানা স্থাপন করা হয়। রাস্তা দখলকারীদের দাবী বর্তমান ম্যাপে ওই জমি আমাদের তাই এমনটি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মাসুম বিল্লাহ জানান ওই রাস্তাটি কোন সরকারী রাস্তা না, পাড়ার লোকজনের চলাফোর জন্য আমরা ২ ফিট জায়গা ছেড়ে দিয়েই প্রাচীর দিয়েছিলাম, এখন তারা জোর করেই আমার প্রাচীরসহ রান্নাঘর, গোয়ালঘর ও টিউওয়েল ভেংগে দিয়েছে।  বসত বাড়িতে আক্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে কোটচাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্চ আসাদউজ্জামান জানান অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনাস্থলে  পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।  তদন্তের পর আইনীব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

No comments

Powered by Blogger.