কালীগঞ্জে ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা সড়কে চলাচল

 

স্টাফ রিপোর্টার :

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার আলুকদিয়া গ্রামের একটি রাস্তা ভেঙ্গে এখন বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। কিন্তু কোন প্রকার যানবাহন ও কৃষকরা তাদের জমির ফসল এ রাস্তা দিয়ে আনা নেওয়া করতে পারে না। প্রায় এক বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ এবং স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের।

এলাকার মানুষ বলছেন, জরুরী ভিত্তিতে এ রাস্তার সংস্কার না করলে কিছু দিনের মধ্যে সাধারন মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। 

সুত্রে জানান, কালীগঞ্জ উপজেলার সুন্দরপুর-দূর্গাপুর ইউনিয়নের আলুকদিয়া গ্রামের চিত্রা নদীর পাশে খালের উপর ২০১২/২০১৩ অর্থ বছরে একটি সেতু ও রাস্তা নির্মান করা হয়। কিন্তু নির্মানের প্রায় এক যুগ পার না হতেই এ রাস্তার দু’পাশে ভেঙ্গে খালের মধ্যে চলে যায়। ফলে যতবৃষ্টি হচ্ছে ততই রাস্তার ইট বালি খালে চোলে যাচ্ছে। আবার ব্রিজের অবস্থা তেমন একটা ভাল নেই ক্রমান্বয়ে খারাপের দিকে যাচ্ছে। রাস্তা যেভাবে ভেঙ্গে পড়েছে তাতে করে রাস্তার পাশে লাল কাপড় বেধে রাখা হয়েছে। কিন্তু রাতে যখন অপরিচিত ব্যাক্তিরা মটর সাইকেল, ভ্যান, রিকসা, বাইসাইকেল চলাচল করে অনেকেই রাস্তার পাশে পড়ে যায় বলে এলাকার একাধিক ব্যাক্তি জানান। ২০১২/২০১৩ অর্থ বছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে সেতু/কালভাট কর্মসুচির আওতায় আলাইপুর গ্রামের চিত্রা নধীর খালের উপর ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩৮ টাকা চুক্তি মুল্যে একটি ব্রিজ করা হয়। ব্রিজের আবার দুই পাশ দিয়ে ইটের সলিং রাস্তা আলাদা বরাদ্ধ দিয়ে চলাচলের উপযোগি করা হয়। আলুকদিয়া এ ব্রিজ ও রাস্তা দিয়ে সিংদহ,আলাইপুর,শিবনগর,চাচড়া,গান্না, কালুখালিসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ চলাচল করে থাকে। কিন্তু ব্রিজের সামনে দিয়ে রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে সাধারন মানুষ কোন ভবে চলাচল করতে পারলে ও সাধারন কৃষকরা তাদের জমির ফসল এখন এ স্থান দিয়ে নিতে পারছে না। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা ভাংতে শুরু করে। দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেতে লাঠির মাথায় লাল কাপড় বেধে রাখা হয়েছে।

আলুকদিয়া গ্রামের এ সড়কদিয়ে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে ফলে অনেকেই প্রায় ৮/১০ কিলোমিটার ঘুরে তাদের গন্তব্যস্থলে যাতায়াত করে।বিপাকে পড়েছেন এলাকার মানুষ সহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।এ ভাঙ্গনের পাশে বসতবাড়ি, গাছপালা, ফসলী জমিসহ খাল ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। তাই দ্রুত খালের ভাঙন প্রতিরোধের পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে আলুকদিয়ো গ্রামের মানুষ সহায় সম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়বে।গ্রামের রেজাউল ইসলাম বলছেন, সড়ক ভেঙে যাওয়ায় আমরা সহজে যাতায়াত করতে পরছি না। এতে আমাদের ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার ইট ও বালি পাশের খালের মধ্যে পড়েছে।রাস্তার পাশে ধসে গিয়ে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। ফলে ছোট ছোট যানবাহন গুলো পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। 

ঊএ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা এলজিডি প্রকৌশরী সৈয়দ শাহারিয়ার আকাশ বলেন, বিষয়টি শুনেছি দ্রুত মেরামত করার চেষ্টা চলছে।



No comments

Powered by Blogger.