কোটচাঁদপুর থানার এএসআই গোলাম মোরশেদের তদন্তের নামে অর্থ বানিজ্যঃ

 

 মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, কোটটচাঁদপুর  থেকে :

 ঝিনাইদহের  কোটচাঁদপুর থানায় কর্মরত এএসআই গোলাম মোরশেদের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে আসামীদের কাছ থেকে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার একটি মামলার আসামিদের নাম ঠিকানা সনাক্তের জন্য  তদন্ত আসে কোটচাঁদপুর মডেল থানায়। উক্ত মামলার তদন্তের দ্বায়িত্বপান এএসআই গোলাম মোরশেদ। ওই মামলায় ৪ জন আসামীর সাথে যোগাযোগ করে ভালো প্রতিবেদন দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩৩ হাজার টাকা গ্রহন করেন তিনি। আসামীদের একজন ইর্সরাফিল হাসান ইছা জানান আমাকে জীবন নগর থানার একটি ছিনতাই মামলায় আসামী করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ওই মামলা থেকে নাম বাদ দেয়ার কথা বলে এএসআই গোলাম মোরশেদ আমার কাছে ২৫ হাজার টাকা দাবী করেন। আমি উপায় না পেয়ে ছাগল বিক্রি করে তাকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি। তিনি পরে আরো ১৫ হাজার টাকা দাবী করেন। যা আমার পক্ষে দেয়া সম্ভব হয়নি। পরে খোজ নিয়ে দেখি ওই মামলায় আমার নামই নেই। গালীমপুরের ভ্যান চালক তুফা জানান আমি বাড়িতে ছিলাম না এএসআই গোলাম মোরশেদ আমার বাড়িতে যান এবং মামলার ভালো রির্পোট দেবেন বলে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে ৫ হাজার নিয়েছেন।  জালালপুর গ্রামের নাসির মে¤^র জানান ওই মিথ্যা মামলা থেকে আমার নাম বাদ দেয়ার কথা বলে এএসআই গোলাম মোরশেদ ৮ হাজার টাকা নিয়েছেন। রেজাউল ইসলাম জানান তার কাছ থেকে একই ভাবে মিথ্যা কথা বলে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এএসআই গোলাম মোরশেদ। ওই ৪ জনের নিকট থেকে  আরো ৪০ হাজার টাকা দাবী করা হয়। যা নিয়ে বাদে বিপত্তি। তদন্তের নামে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই গোলাম মোরশেদ জানান আমি জীবননগর থানার একটি মামলায় আসামীদের সনাক্তের জন্য তাদের সাথে যোগযোগ করেছি কোন টাকা নেয়নি। কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি তদন্ত জানান আমি মাত্র গতকাল এই থানায় যোগদান করেছি ওই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

No comments

Powered by Blogger.