Home
/
টপ নিউজ
/
কালীগঞ্জে সড়কে একের পর এক দূর্ঘটনায় আহত -২৫ এগিয়ে আসেনি উপজেলা প্রশাসন বিপদ দেখেও ফিরে গেল ফায়ার সার্ভিস
কালীগঞ্জে সড়কে একের পর এক দূর্ঘটনায় আহত -২৫ এগিয়ে আসেনি উপজেলা প্রশাসন বিপদ দেখেও ফিরে গেল ফায়ার সার্ভিস
রবিউল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার :
ইউএনও বললেন, যিনি সড়কে মাটি ফেলে কাদা সৃষ্টি করেছেন তাকে দিয়েই ওই কাদা পরিষ্কার করাতে হবে।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গিয়ে কি করবে। সড়কের ওই কাঁদাতে চলাচলকারী যানবাহন পডে় শত মানুষের বিপদ
হলেও তার কিছুই করার নেই। শনিবার কালীগঞ্জ - কোলা সড়কে বৃষ্টির পানিতে মাটি কাঁদার পিচ্ছিলে একের
পর এক দুর্ঘটনায় আহত বিপদগ্রস্তদের প্রতিকারের উত্তরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ইউএনও রেজওয়ানা
নাহিদ ওই কথা বলেন। তিনি সড়কে মাটি ফেলা ব্যাক্তির ব্যবস্থা নিতে তার নাম্বার সংগ্রহে সহযোগিতাও
চান। তবে, পরবর্তীতে কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস টিম ঘটনাস্থলে গেলেও তারাও উর্ধতন কর্তাদের অনুমতির
দোহায় দিয়ে কোন ব্যবস্থা না নিয়েই ফিরে যান। এদিকে এমন বিপদ সুহুর্ত্বে ইউএনও ও ফায়ার সার্ভিস কোন
সহযোগিতা না করে এড়িয়ে গেলেও সেখানে দুর্ঘটনা রোধে সড়কে দাঁডি়য়ে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করেন
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীগন। মানবিক এ কাজে সাধারণ মানুষ গণমাধ্যম কর্মীদের বেশ প্রশংসা করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী গণমাধ্যম কর্মী আরিফ মোল্লা জানায়, শনিবার দুপুর দুই টার দিকে কোলা সড়কের খ্রিষ্টান
মিশনের সম্মুখে সড়কে কাঁদা পিচ্ছিলে একের পর এক যানবাহন দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছিল এমন খবর পেয়ে
তিনিসহ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান প্রায় ৩০০ মিটার পাকা
সড়কের উপরে পডে় থাকা মাটি বৃষ্টিতে ডিজে পিচ্ছিল কাঁদায় পরিণত হয়েছে। এ সময়ে সড়কে চলাচলকারী
মোটরসাইকেল, ইজিবাইক সকল যানবাহন ওই স্থানে এসেই দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। এক ঘন্টার ব্যবধানে
প্রায় ১৫ টি যানবাহন দূর্ঘটনায পড়ে গাডি়র চালকসহ ২৫/৩০ জন কমবেশি আহত হয়।
দূর্ঘটনা কবলিত ভূক্তভোগী উপজেলার গোপালপুর গ্রামের জনি জানান, তার বাড়িতে ঢাকা থেকে জীবন চৌধুরী ও সজিব বিশ্বাস নামে দুই জন মেহমান এসেছিল। দুপুরে তারা বাড়িতে ফিরতে মটরসাইকেল যোগে শহরের
রেলস্টেশনে যাচ্ছিল। পথে ওই স্থানে কাঁদা পিচ্ছিলে দূঘটনায় পড়ে আহত হয়। তাদের মত একাধিক যানবাহন দূর্ঘটনায় পতিত হয়েছে।
গনমাধ্যমকর্মীরা আরো জানায়, গেল রাতে মাটি খেকোনা পাশের মাঠ থেকে মাটি কেটে এখানে পুকুর ভরাট করছিলো। সেই মাটি ট্রাকে করে আনার সময় রাস্তাতে পড়ে জমা হয়েছিল। শনিবার দুপুর ১ টার দিকে বৃষ্টির পর পরই দূর্ঘটনা ঘটতে শুরু করে। এমন অবস্থায় তারা উপজেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসকে সড়কের কাঁদা অপসারনে অনুরোধ করলেও কেউই সহযোগিতা করেননি। পরে মানবিক কারনে সাংবাদিকগন পথচারীদের দূর্ঘটনা থেকে রক্ষায় নিজেরা
দাড়িয়ে থেকে সেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করেন।

No comments