Home
/
টপ নিউজ
/
জুলাই সনদ পড়ে শুনে বুঝে বাস্তবায়ন করা হবে এর কোন ব্যতয় ঘটবে না ঝিনাইদহে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
জুলাই সনদ পড়ে শুনে বুঝে বাস্তবায়ন করা হবে এর কোন ব্যতয় ঘটবে না ঝিনাইদহে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশের মাটিতে খাল খননের ধারনা দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান। কৃষক শ্রমিক ও নারীসহ মানুষের মুক্তির পথ দেখিয়েছেন জিয়াউর রহমান। তার হাত ধরে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের উন্নয়ন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যে ভূমিকা রেখে গেছেন তা আমাদের উৎসাহ যোগায়। এখন আমাদের সে পথ দেখাচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঝিনাইদহ সদরস্থ “২ডি-৭এন” খালটি খনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী নদী নালা, খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন প্রকল্পের আওতায় ৫ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার এ খালটি খনন করা হবে। খালটি খনন কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আশির দশকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে খালটি খনন করেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খাজুরা এলাকা থেকে হরিণাকুন্ডু উপজেলার কন্যাদহ গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত “২ডি-৭এন” নামে পরিচিত।
ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খাল খনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রী আরো বলেন, যারা বলছেন, জুলাই বিপ্লব সনদ বিএনপি বাস্তবায়ন করছে না। জুলাই সনদ পড়ে শুনে বুঝে বাস্তবায়ন করা হবে এর কোন ব্যতয় ঘটবে না। আমাদের বুকে যেমন ৫২’র ভাষা আন্দোলন ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৯০ এর গণঅভ্যুত্থান ধারন করি। তেমনি ২০০৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের গণতন্ত্র পুন:উদ্ধারের আমাদের যে সমস্ত সহকর্মীদের জীবন দিতে হয়েছে, ক্রস ফায়ারের সিকার হতে হয়েছে, গুমের সিকার হতে হয়েছে, মিথ্যা গায়েবি মামলার সিকার হতে হয়েছে তাদের যেমন ধারন করি তেমনি জুলাই সনদের প্রতিটি অধ্যায় আমাদের বুকে ধারন করি। জুলাই সনদের ৮৪টি অধ্যায় আছে। যা আমি পড়ে দেখেছি। প্রথম অধ্যায়ের শুরুতেই লেখা হয়েছে সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে, আমরা সেই পথেই হেটে চলেছি। আমরা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে চাই না। আমরা স্বচ্ছতার সাথে দেশ পরিচালনা করতে চাই।
মন্ত্রী আরো বলেন, আপনারা আপনাদের আঙুলের দিকে তাকিয়ে দেখেন ভোটের ছাপ এখনো মুছে যায়নি। তার আগেই প্রতিশ্রুতি পুরণ শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আগে কথার ফুলঝুড়ি নয়, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি ঋণ শোধ করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে যেখানে কোন রাজনৈতিক ইস্যু থাাকবে না। এখানে কোন দলমত ধর্ম নেই, আপনি শুধু কার্ড পাওয়ার যোগ্য হলে পাবেন। ইমাম, মুয়াজ্জিন ও প্রহিতদের ভাতা দিয়ে কথা রেখেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। আগামি পহেলা বৈশাখ কৃষকরা কৃষি কার্ড পাবে। তারেক রহমান কথা দিয়েছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আগামি ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। তারই অংশ হিসাবে একই সাথে ৫৪ জেলায় খাল খনন উদ্বোধন করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছিলাম ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপন করা হবে। যা দ্রুতই আলোর মুখ দেখবে। বিএনপি যা বলে তা করার চেষ্টা করে। প্রধানমন্ত্রী দেশে এসে তার বক্তব্যে বলেছিলেন আই হ্যাভ এ প্লান, যা বাস্তাবায়ন শুরু হয়েছে। তিনি একের পর এক জনকণ্যাণমুখি কাজ শুরু করেছেন। এখন দুরমুখি ও ফ্যাসিষ্টদের মুখে রা জবাব হয়ে গেছে। একজন মানুষের চলচলন ব্যবহার কেমন হওয়া উচিৎ তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেখিয়ে দিয়েছেন।
তারেক রহমান বলেছেন, এমপি হয়েছেন ভালো কথা, এখন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আনবেন তা হবে না। ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি বন্ধ করেছেন। এমপি হয়েছেন জনসেবার জন্য, নিজের সেবার জন্য নয়। এমপি হয়েছেন জনগণের সাথে মিশে থাকার জন্য, প্লট নেওয়ার জন্য না, প্লট বরাদ্দ বন্ধ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ঢাকা শহরের চলাচলাচলের জন্য ২৮টি গাড়ির বহর ছিল কিন্তু তিনি দ্বায়িত্ব নেওয়ার ৪টি রেখে ২৪টি বাদ দিয়েছেন। উনি সাধান মানুষের মত চলাচল শুরু করেছেন। মন্ত্রীরা ঢাকার বাইরে গেলে গার্ড অব অনার নিতে নিষেধ করেছেন। এসব তারেক রহমানের পরিবর্তনের সূচনা।
সন্ত্রাস চাদাবাজি চলবে না, করলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা দেওয়া ও গণতান্ত্রিক এই আইনি শাসন ব্যবস্থা উপহার দেওয়ার দ্বায়িত্ব সরকারের। সেই প্রত্যয় নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন বলে চাদাবাজি সন্ত্রাস আর দূর্নীতির লাইসেন্স আপনাকে দেওয়া হয়নি। আমরা শহীদ রাষ্টপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে তারেক রহমানের দেখানে পথে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা সেই পথে টাটতে গিয়ে আপনাদের সহযোগীতা চেয়েছি। আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি সেই বাংলাদেশ শ্রমিক, কৃষক, নারী ও জনগণের কল্যাণকর দেশ হবে বলে উল্লেখ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু তালিব, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকরসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতারা।
ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস জানান, শুনেছি আশির দশকে স্থানীয় কৃষি উন্নয়ন ও পানি ব্যবস্থাপনার কথা চিন্তা করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে এই খালটি খনন করেন। তখন এই খালের একংশের নাম ছিল “শিরিষকাঠ খাল”। সে সময় খালটি এলাকার কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। নব্বই দশকে আবারো খালটি খনন করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে খালটি ভরাট হয়ে পড়ায় খালে পানি নিস্কাষনের কার্যকারিতা কমে গেছে। বর্তমানে খালটি পুনঃখনন শেষ হলে দুই উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন এবং কৃষি উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
কৃষক আজাদ রহমান পাননু জানান, এক সময় যে খাল কৃষি ও জনজীবনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছিল, পুনঃখননের মাধ্যমে তা আবারও জীবন্ত হয়ে উঠবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা সেই উন্নয়ন উদ্যোগ নতুন করে এলাকার কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশের মাটিতে খাল খননের ধারনা দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান। কৃষক শ্রমিক ও নারীসহ মানুষের মুক্তির পথ দেখিয়েছেন জিয়াউর রহমান। তার হাত ধরে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের উন্নয়ন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যে ভূমিকা রেখে গেছেন তা আমাদের উৎসাহ যোগায়। এখন আমাদের সে পথ দেখাচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঝিনাইদহ সদরস্থ “২ডি-৭এন” খালটি খনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী নদী নালা, খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন প্রকল্পের আওতায় ৫ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার এ খালটি খনন করা হবে। খালটি খনন কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আশির দশকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে খালটি খনন করেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খাজুরা এলাকা থেকে হরিণাকুন্ডু উপজেলার কন্যাদহ গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত “২ডি-৭এন” নামে পরিচিত।
ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খাল খনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রী আরো বলেন, যারা বলছেন, জুলাই বিপ্লব সনদ বিএনপি বাস্তবায়ন করছে না। জুলাই সনদ পড়ে শুনে বুঝে বাস্তবায়ন করা হবে এর কোন ব্যতয় ঘটবে না। আমাদের বুকে যেমন ৫২’র ভাষা আন্দোলন ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৯০ এর গণঅভ্যুত্থান ধারন করি। তেমনি ২০০৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের গণতন্ত্র পুন:উদ্ধারের আমাদের যে সমস্ত সহকর্মীদের জীবন দিতে হয়েছে, ক্রস ফায়ারের সিকার হতে হয়েছে, গুমের সিকার হতে হয়েছে, মিথ্যা গায়েবি মামলার সিকার হতে হয়েছে তাদের যেমন ধারন করি তেমনি জুলাই সনদের প্রতিটি অধ্যায় আমাদের বুকে ধারন করি। জুলাই সনদের ৮৪টি অধ্যায় আছে। যা আমি পড়ে দেখেছি। প্রথম অধ্যায়ের শুরুতেই লেখা হয়েছে সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে, আমরা সেই পথেই হেটে চলেছি। আমরা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে চাই না। আমরা স্বচ্ছতার সাথে দেশ পরিচালনা করতে চাই।
মন্ত্রী আরো বলেন, আপনারা আপনাদের আঙুলের দিকে তাকিয়ে দেখেন ভোটের ছাপ এখনো মুছে যায়নি। তার আগেই প্রতিশ্রুতি পুরণ শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আগে কথার ফুলঝুড়ি নয়, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি ঋণ শোধ করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে যেখানে কোন রাজনৈতিক ইস্যু থাাকবে না। এখানে কোন দলমত ধর্ম নেই, আপনি শুধু কার্ড পাওয়ার যোগ্য হলে পাবেন। ইমাম, মুয়াজ্জিন ও প্রহিতদের ভাতা দিয়ে কথা রেখেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। আগামি পহেলা বৈশাখ কৃষকরা কৃষি কার্ড পাবে। তারেক রহমান কথা দিয়েছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আগামি ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। তারই অংশ হিসাবে একই সাথে ৫৪ জেলায় খাল খনন উদ্বোধন করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছিলাম ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপন করা হবে। যা দ্রুতই আলোর মুখ দেখবে। বিএনপি যা বলে তা করার চেষ্টা করে। প্রধানমন্ত্রী দেশে এসে তার বক্তব্যে বলেছিলেন আই হ্যাভ এ প্লান, যা বাস্তাবায়ন শুরু হয়েছে। তিনি একের পর এক জনকণ্যাণমুখি কাজ শুরু করেছেন। এখন দুরমুখি ও ফ্যাসিষ্টদের মুখে রা জবাব হয়ে গেছে। একজন মানুষের চলচলন ব্যবহার কেমন হওয়া উচিৎ তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেখিয়ে দিয়েছেন।
তারেক রহমান বলেছেন, এমপি হয়েছেন ভালো কথা, এখন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আনবেন তা হবে না। ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি বন্ধ করেছেন। এমপি হয়েছেন জনসেবার জন্য, নিজের সেবার জন্য নয়। এমপি হয়েছেন জনগণের সাথে মিশে থাকার জন্য, প্লট নেওয়ার জন্য না, প্লট বরাদ্দ বন্ধ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ঢাকা শহরের চলাচলাচলের জন্য ২৮টি গাড়ির বহর ছিল কিন্তু তিনি দ্বায়িত্ব নেওয়ার ৪টি রেখে ২৪টি বাদ দিয়েছেন। উনি সাধান মানুষের মত চলাচল শুরু করেছেন। মন্ত্রীরা ঢাকার বাইরে গেলে গার্ড অব অনার নিতে নিষেধ করেছেন। এসব তারেক রহমানের পরিবর্তনের সূচনা।
সন্ত্রাস চাদাবাজি চলবে না, করলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা দেওয়া ও গণতান্ত্রিক এই আইনি শাসন ব্যবস্থা উপহার দেওয়ার দ্বায়িত্ব সরকারের। সেই প্রত্যয় নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন বলে চাদাবাজি সন্ত্রাস আর দূর্নীতির লাইসেন্স আপনাকে দেওয়া হয়নি। আমরা শহীদ রাষ্টপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে তারেক রহমানের দেখানে পথে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা সেই পথে টাটতে গিয়ে আপনাদের সহযোগীতা চেয়েছি। আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি সেই বাংলাদেশ শ্রমিক, কৃষক, নারী ও জনগণের কল্যাণকর দেশ হবে বলে উল্লেখ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু তালিব, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকরসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতারা।
ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস জানান, শুনেছি আশির দশকে স্থানীয় কৃষি উন্নয়ন ও পানি ব্যবস্থাপনার কথা চিন্তা করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে এই খালটি খনন করেন। তখন এই খালের একংশের নাম ছিল “শিরিষকাঠ খাল”। সে সময় খালটি এলাকার কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। নব্বই দশকে আবারো খালটি খনন করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে খালটি ভরাট হয়ে পড়ায় খালে পানি নিস্কাষনের কার্যকারিতা কমে গেছে। বর্তমানে খালটি পুনঃখনন শেষ হলে দুই উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন এবং কৃষি উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
কৃষক আজাদ রহমান পাননু জানান, এক সময় যে খাল কৃষি ও জনজীবনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছিল, পুনঃখননের মাধ্যমে তা আবারও জীবন্ত হয়ে উঠবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা সেই উন্নয়ন উদ্যোগ নতুন করে এলাকার কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
.jpg)

No comments