পুলিশকে চ্যালেন্জ ডোপ টেষ্টে ধরা মাদকসেবী পরে কারাদন্ড দিয়ে পাঠানো হলো কারাগারে
রবিউল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার :
মাদক সেবনের অপরাধে দুই জনকে গ্রেফতার করে থানাতে নিয়ে আসে পুলিশ। এরপর পুলিশের সাথে বাদে বিবাদ। গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের ভাষ্য, তারা মাদকসেবী নয়, ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। অপরদিকে পুলিশের ভাষ্য তারা মাদকসেবী। বিষয়টি নিরসনে এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয় ডোপ টেষ্ট করার। সে মোতাবেকই ডোপ টেষ্ট করিয়ে পাওয়া যায় তারা গাঁজা, ইয়াবা ও ঘুমের বড়ি সেবনকারী। পজেটিভ হওয়ায় পরে আদালতের মাধ্যমে সিরাজুল ইসলাম রাব্বী ও সাদ্দাম হোসেন নামে দু্ই মাদক সেবীকে কারাদন্ডাদেশ দিয়ে পাঠানো হয় কারাগারে। ঘটনাটি ঘটেছে, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানাতে। পুলিশ জানায়, বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযানে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে শহরের কলেজ পাড়ার আজগর আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলাম রাব্বি (৩০) ও ঢাকালে পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে দুই মাদকসেবীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সকালে (মঙ্গলবার) পরিবারের সদস্যরা থানাতে এসে গ্রেফতারকৃতরা মাদকসেবন করেননি বলে চ্যালেন্জ ছুড়ে পুলিশের সাথে বিবাদে জড়ায়। এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয় মাদক সেবন প্রমানে ডোপ টেষ্ট করানো হবে। সে হিসাবেই দুপুরে ওই দুইজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর ডোপ টেষ্ট সম্পন্ন করে পজেটিভ হওয়ায় তাদেরকে বিকালে আদালতে নেওয়া হয়। ঝিনাইদহ আদালতের সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারনীর ১৬ ধারায় সিরাজুল ইসলাম রাব্বীকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। অপরজন সাদ্দাম হোসেনকে চার মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০০/- টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে কারাগারে পাঠানোর নির্দ্দেশ দেন।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলী বলেন, দুইজন মাদকসেবীকে গ্রেফতার করে থানাতে আনার পর তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বাকবিতন্ডা হয়েছিল। বিষয়টি নিরসন করতে তিনি ডোপ টেষ্টের ব্যবস্থা করেছিলেন। টেষ্টে পজেটিভ রেজাল্ট হওয়ায় আদালত তাদেরকে কারাদন্ডাদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তিনি আরো জানান, মাদক নিয়ন্ত্রনে তাদের এমন অভিযান অব্যহত থাকবে।

No comments