Home
/
টপ নিউজ
/
ঝিনাইদহ-৪ আসনকে দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক আসন গড়তে চাই কালীগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায়-আবু তালিব
ঝিনাইদহ-৪ আসনকে দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক আসন গড়তে চাই কালীগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায়-আবু তালিব
স্টাফ রিপোর্টার :
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জামায়াত ইসলামী নির্বাচনী সমাবেশ করেছে। শনিবার বিকালের শহরের নলডাঙ্গা ভূসণ স্কুল মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন, ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের চার ইউনিয়ন) আসনের জামায়াতের দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব।
সমাবেশকে সফল করতে দুপুরের পর থেকে ঝিনাইদ-৪ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে নারী ও পুরুষ নেতাকর্মীরা আসতে থাকে। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই সমাবেশ স্থল জনসমুদ্রে পরিনত হয়। বিশেষ করে নারী কর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। সব মিলিয়ে নির্বাচনের চারদিন আগে দলটি তাদের শক্তির জানান দিয়েছে।
সমাবেশে দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব বলেন, ৫৪ বছর পার হয়েছে। এসময়ে দেশে ১২ সংসদ নির্বাচন হয়েছে। ১৩তম নির্বাচন ১২ ফেব্রয়ারী। মানুষ উপলব্ধি করছে এতোদিন যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা লুট ও হত্যার রাজনীতি করেছে। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আজ মানুষ বুঝতে শিখেছে আমরা আর তাদের ফাদে পা দিতে চাই না। আমরা একটি ইনসাফ ভিত্তিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার রাষ্ট্র গড়তে চাই। আপনাদের ভোটে জামায়াত নির্বাচিত হলে অপসাশন ও অনিময়ম থাকবে না। শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ে তোলা হবে।
আমাকে জামায়াত মনোনয়ন দিয়েছেন। আমাদের সাথে আছে আরো ১০টি দল। আপনাদের কাছে আবেদন করতে চাই। সাংবাদিক ও আলেম ওলামাদের সাথে নিয়ে কালীগঞ্জকে মডেল করে গড়ে তুলতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠিকে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে। কৃষকদের প্রনোনদনাসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হবে। নদী ও খাল খনন করা হবে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়া হবে। মোবারকগঞ্জ চিনিকলকে দুর্নীতির হাত থেকে উদ্ধার করে উৎপাদনশী ও লাভজনক করা হবে। নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে সামাজিক বলয় গড়ে তোলা হবে। মোড়ে মোড়ে অভিযোগ বক্স করা হবে। জনগণের অভিযোগ নিয়ে উন্নয়ন করা হবে। আমার কোন অর্থ দরকার নেই, আমার কোন লোভ নেই। আমি কালীগঞ্জবাসির উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু শাখার নেতা বাবু পিকুল মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে দেখে এসেছি প্রর্থীরা কথা দেয় কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর আর কথা রাখে না। তারা লুটপাটের রাজনীতি করে। হোটেলে পর নারী নিয়ে পড়ে থাকে। রাতের বেলা গাছকে ধাক্কা দিয়ে বলে গাছ তুই সরে যা আমি বাড়ি যাবো। আমরা কি এ ধরনের মানুষ ভোট দিয়ে সংসদে পাটাতে চাই না। এলাকার উন্নয়নে সৎ, যোগ্য, দুর্নীতিমুক্ত ও শিক্ষিত জামায়াতের দাড়িপাল্রার প্রার্থী আবু তালিবকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠানোর আহবান করেন বাবু পিকুল মজুমদার।
সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন, কেন্দ্রী সুরা সদস্য ও ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল আলিম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, মহেশপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল হক মোল্লা, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা ওয়ালিউর রহমান, সদর উপজেলার আমির ড. হাবিবুর রহমান, ঝিনাইদহ শহর শাখার আমির এ্যাড. ইসমাইল হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক লুৎফর রহমান ও কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ঈশা খানসহ স্থানীয় নেতারা।
সমাবেশ শেষে বিশাল একটি র্যালী কালীগঞ্জ শহর প্রদক্ষিণ করে।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জামায়াত ইসলামী নির্বাচনী সমাবেশ করেছে। শনিবার বিকালের শহরের নলডাঙ্গা ভূসণ স্কুল মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন, ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের চার ইউনিয়ন) আসনের জামায়াতের দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব।
সমাবেশকে সফল করতে দুপুরের পর থেকে ঝিনাইদ-৪ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে নারী ও পুরুষ নেতাকর্মীরা আসতে থাকে। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই সমাবেশ স্থল জনসমুদ্রে পরিনত হয়। বিশেষ করে নারী কর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। সব মিলিয়ে নির্বাচনের চারদিন আগে দলটি তাদের শক্তির জানান দিয়েছে।
সমাবেশে দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব বলেন, ৫৪ বছর পার হয়েছে। এসময়ে দেশে ১২ সংসদ নির্বাচন হয়েছে। ১৩তম নির্বাচন ১২ ফেব্রয়ারী। মানুষ উপলব্ধি করছে এতোদিন যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা লুট ও হত্যার রাজনীতি করেছে। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আজ মানুষ বুঝতে শিখেছে আমরা আর তাদের ফাদে পা দিতে চাই না। আমরা একটি ইনসাফ ভিত্তিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার রাষ্ট্র গড়তে চাই। আপনাদের ভোটে জামায়াত নির্বাচিত হলে অপসাশন ও অনিময়ম থাকবে না। শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ে তোলা হবে।
আমাকে জামায়াত মনোনয়ন দিয়েছেন। আমাদের সাথে আছে আরো ১০টি দল। আপনাদের কাছে আবেদন করতে চাই। সাংবাদিক ও আলেম ওলামাদের সাথে নিয়ে কালীগঞ্জকে মডেল করে গড়ে তুলতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠিকে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে। কৃষকদের প্রনোনদনাসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হবে। নদী ও খাল খনন করা হবে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়া হবে। মোবারকগঞ্জ চিনিকলকে দুর্নীতির হাত থেকে উদ্ধার করে উৎপাদনশী ও লাভজনক করা হবে। নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে সামাজিক বলয় গড়ে তোলা হবে। মোড়ে মোড়ে অভিযোগ বক্স করা হবে। জনগণের অভিযোগ নিয়ে উন্নয়ন করা হবে। আমার কোন অর্থ দরকার নেই, আমার কোন লোভ নেই। আমি কালীগঞ্জবাসির উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু শাখার নেতা বাবু পিকুল মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে দেখে এসেছি প্রর্থীরা কথা দেয় কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর আর কথা রাখে না। তারা লুটপাটের রাজনীতি করে। হোটেলে পর নারী নিয়ে পড়ে থাকে। রাতের বেলা গাছকে ধাক্কা দিয়ে বলে গাছ তুই সরে যা আমি বাড়ি যাবো। আমরা কি এ ধরনের মানুষ ভোট দিয়ে সংসদে পাটাতে চাই না। এলাকার উন্নয়নে সৎ, যোগ্য, দুর্নীতিমুক্ত ও শিক্ষিত জামায়াতের দাড়িপাল্রার প্রার্থী আবু তালিবকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠানোর আহবান করেন বাবু পিকুল মজুমদার।
সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন, কেন্দ্রী সুরা সদস্য ও ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল আলিম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, মহেশপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল হক মোল্লা, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা ওয়ালিউর রহমান, সদর উপজেলার আমির ড. হাবিবুর রহমান, ঝিনাইদহ শহর শাখার আমির এ্যাড. ইসমাইল হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক লুৎফর রহমান ও কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ঈশা খানসহ স্থানীয় নেতারা।
সমাবেশ শেষে বিশাল একটি র্যালী কালীগঞ্জ শহর প্রদক্ষিণ করে।
.jpeg)
.jpeg)
No comments